An Education Blog

word direction logo

এই ‘মারাত্মক’ ক্যান্সারে এখন অনেকেই ভুগছেন, উপসর্গগুলি জেনে নিন

আপনার কি থাইরয়েডের সমস্যা রয়েছে? যদি থেকে থাকে, তাহলে একটু সতর্ক হোন। থাইরয়েড গ্রন্থিতে ক্যানসার এখন অন্যতম দুশ্চিন্তার কারণ।

এই থাইরয়েড ক্যানসার কী, তার প্রতিকারই বা কী, চলুন সবটাই জেনে নেওয়া যাক।

cancer-1-830x450থাইরয়েড ক্যানসার কী?

স্বরগ্রন্থির নীচে থাকে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড। খাবার থেকে আয়োডিন নিয়ে শরীরে থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড।

থাইরয়েড গ্রন্থির কোষ সাধারণ অবস্থার থেকে যখন অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে ও অন্যান্য অঙ্গের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে তখন তাকে বলা হয় থাইরয়েড ক্যানসার

কারা আক্রান্ত হতে পারেন থাইরয়েড ক্যানসারে? চিকিত্সকেরা জানাচ্ছেন,

২৫-৫০ বছর বয়সিদের থাইরয়েড ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের থাইরয়েড ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

পরিবারে কারও যদি থাইরয়েড ডিজিজ বা থাইরয়েড ক্যানসার হয়, তবে অন্যদের থাইরয়েড ক্যানসারের প্রবণতা থাকে।

দীর্ঘদিন ধরে থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হলে থাইরয়েড ক্যানসারের সম্ভাবনা বেশি। ক্রনিক হেপাটাইটিস সি থেকে থাইরয়েড

ক্যানসারের সম্ভাবনা থাকে।

সেভাবে থাইরয়েড ক্যানসারের কোনও লক্ষণ দেখা যায় না। তবে কয়েকটি উপসর্গ দেখলে সতর্ক হোন,

১. গলায় হঠাত্ কোনও মাংসপিণ্ড দেখা দেওয়া

২. শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

৩. গলার আওয়াজ বসে যাওয়া

৪. খেতে কষ্ট হওয়া

থাইরয়েড ক্যানসারের চিকিত্সা হবে কীরকম? চিকিত্সকেরা জানাচ্ছেন, ক্যানসার ধরা পড়ুক বা সন্দেহের পর্যায়ে থাক, দুই অবস্থাতেই সার্জারি জরুরি।

চিকিত্সক সিদ্ধান্ত নেন, তিনি কতটা সার্জারি করবেন। এর পর তা বায়োপসিতে পাঠানো হয়। তার থেকেই ধরা পড়ে থাইরয়েড ক্যানসারের অস্তিত্ব।

এর পরের ধাপে দেখা হয় ক্যানসার শুধু গ্ল্যান্ডেই সীমাবদ্ধ, না কি তা ছড়িয়ে গিয়েছে। তা দেখার পরই চিকিত্সা শুরু করা হয়।

স্টেজ অনুযায়ী সার্জারি করা হতে পারে, দেওয়া হতে পারে রেডিও অ্যাকটিভ আয়োডিন থেরাপি। তবে প্রথম পর্যায়ে ধরা পড়লে আর পাঁচ রকম ক্যানসারের মতো থাইরয়েড ক্যানসারও সেরে যায়।

অনেকের মনে হয়ত প্রশ্ন উঠছে, থাইরয়েডের এই জটিল সমস্যা ঠেকাতে আগে থেকে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়ঃ

ক্যানসার ঠেকাতে গেলে সবার প্রথম প্রয়োজন সচেতনতা। নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিত্সকের পরামর্শ মতো T4 TSH রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত।

গলায় টিউমার বা ছোট মাংসপিণ্ড দেখা গেলে উপেক্ষা না করে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

Source: http://bangla.eibarta.com/?p=7229

The following two tabs change content below.
Dr.Anika Mahmud

Dr.Anika Mahmud

Dr.Anika Mahmud

Latest posts by Dr.Anika Mahmud (see all)

Leave a Reply

Share this

Journals

Email Subscribers

Name
Email *