An Education Blog

word direction logo

ঢেঁড়সের যত পুষ্টিগুণ

1462955758-500x350অনেকেই আছেন, যারা ঢেঁড়স পছন্দ করেন না। পছন্দ না করলেও এর অনেক পুষ্টিগুণ আছে। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ আছে। এ ছাড়াও এতে রয়েছে ক্যারোটিন, ফলিক এসিড, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, অক্সালিক এসিড ও অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড। তবে অন্যান্য সবজির মতো এতেও সামান্য পরিমাণে অক্সালিক এসিড রয়েছে। তাই কিডনিতে পাথর হলে এ সবজিটি এড়িয়ে চলাই ভালো। জেনে নেওয়া যাক ঢেঁড়সের বিস্ময়কর যত উপকারিতা—
হাঁপানি রোগ
হাঁপানিতে খুব ভালো কাজ করে ঢেঁড়স। রোগটির হারবাল চিকিৎসায় ওষুধ হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া ঢেঁড়স বীজের তেল শ্বাসকষ্ট কমাতে পারে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ
ব্লাড সুগার কমাতে এর বিকল্প নেই। প্রতি ১০০ গ্রাম ঢেঁড়সে ০.০৭ মিলিগ্রাম থায়ামিন, ০.০৬ মিলিগ্রাম নিয়াসিন ও ০.০১ মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন রয়েছে। যা ডায়াবেটিস রোগীর স্নায়ুতন্ত্রে পুষ্টি সরবরাহ করে সতেজ রাখে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এটা রাখা উচিত।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ আছে-যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। সহজে হজম হয় বলে বিপাকক্রিয়ায় সহায়তা করে।
ত্বকের যত্নে
নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে ব্রণ কম হয়। এটি ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করতেও ভালো কাজ দেয়। এটি খাওয়ার ফলে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, এতে ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ে।
হাড় ও দাঁতের যত্নে
প্রতি ১০০ গ্রাম ঢেঁড়সে রয়েছে ৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ১.৫ মিলিগ্রাম আয়রন। এটি হাড়কে মজবুত করে। আবার দাঁত ও মাড়ির রোগেও ঢেঁড়স উপকারী।
চুলের যত্নে
ঢেঁড়সকে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এটি ব্যবহারে চুল পড়া কমে। শুধু তাই নয়, চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখে এটি।
ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
ঢেঁড়সে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সার রোগ সৃষ্টিকারী কোষগুলোকে ধ্বংস করে ক্যান্সার নিরাময়ে সাহায্য করে।
রক্তশূন্যতা দূর করে
নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে লাল রক্ত কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে সহজেই রক্তশূন্যতা দূর হয়।
গর্ভাবস্থায় কাজ করে
এ সময় নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে এর ফলেট উপাদানটি শিশুদের সঠিকভাবে বিকাশে সাহায্য করে।

Leave a Reply

Share this

Journals

Email Subscribers

Name
Email *