An Education Blog

word direction logo

৬টি অসাধারণ খাবার স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক!

ক্যান্সারের মধ্যে স্তন ক্যান্সার একটি সুপরিচিত ক্যান্সার এবং অনেকটা প্রাণঘাতীও বটে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করেন যে আগামী ২০২০ সালের মধ্যে স্তন ক্যান্সার এর আসংখা আজকের চেয়ে অনেক বেশী হতে পারে। বস্তুত, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে প্রতি আটজন নারীর মধ্যে একজনের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুকি আছে বলে মনে হচ্ছে।

macro of fruits

এই আশংকাটি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ দ্বারা অনুমান করা হয়েছে। স্তন ক্যান্সার একটি জটিল রোগ এবং অনেক কারনে যেমন জীবনধারা এবং খাদ্যতালিকাগত কারণের সঙ্গে বরাবর জেনেটিক্স কারণেও এই রোগ হতে পারে। একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা বড় বিশাল ভাবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে। নির্দিষ্ট খাবার স্তন ক্যান্সারের ম্যালিগন্যান্ট ক্যান্সার কোষের সাথে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। কয়েকটি অসাধারণ খাবার যা স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করবে চলুন এই বিষয়ে জেনে নেই।

১। হলুদ

হলুদে কারকিউমিন হিসাবে পরিচিত একটি যৌগ রয়েছে যা কোষের বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার যেমন- স্তন, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, ফুসফুস এবং ত্বকের ক্যান্সার থেকে কোষকে রক্ষা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটা ব্যাপকভাবে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে কারণ এতে সেল প্রোটেক্ট্যান্ট ও অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট থাকে যাতে বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্য থাকে ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে আনে।

এই আশংকাটি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ দ্বারা অনুমান করা হয়েছে। স্তন ক্যান্সার একটি জটিল রোগ এবং অনেক কারনে যেমন জীবনধারা এবং খাদ্যতালিকাগত কারণের সঙ্গে বরাবর জেনেটিক্স কারণেও এই রোগ হতে পারে। একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা বড় বিশাল ভাবে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে। নির্দিষ্ট খাবার স্তন ক্যান্সারের ম্যালিগন্যান্ট ক্যান্সার কোষের সাথে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। কয়েকটি অসাধারণ খাবার যা স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করবে চলুন এই বিষয়ে জেনে নেই।

১। হলুদ

হলুদে কারকিউমিন হিসাবে পরিচিত একটি যৌগ রয়েছে যা কোষের বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার যেমন- স্তন, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, ফুসফুস এবং ত্বকের ক্যান্সার থেকে কোষকে রক্ষা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটা ব্যাপকভাবে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে কারণ এতে সেল প্রোটেক্ট্যান্ট ও অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট থাকে যাতে বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্য থাকে ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে আনে।

এটি প্রচলিত কেমোথেরাপি ক্যান্সার এর সংবেদনশীলতা উন্নত করে। আপনি শুধু খালি পেটে রোজ সকালে আপনার খাবারে একটু হলুদ গুড়া যোগ করে বা জল দিয়ে কাঁচা হলুদের একটি চিমটি খেলেও হলুদের কারকিউমিন সুবিধা উপভোগ করতে পারেন। এছাড়া আপনি আধা কেজি পানিতে ১ টেবিল চামচ হলুদ গুড়া মিশিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে প্রতিদিন পান করতে পারেন।

২। স্যামন মাছ

স্যামন মাছ একটি তৈলাক্ত মাছ যাতে ওমেগা- ৩ ফ্যাটি এসিড বেশী পরিমানে থাকে যা ক্যান্সারের টিউমারের বৃদ্ধি মন্থর করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে উৎসাহদান করে। একই সময়ে, স্যামন মাছ একটি চর্বিহীন প্রোটিন যা ভিটামিন বি১২ এবং ডি এর একটি উৎস।

এই সব উপাদান আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে এবং কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রন ও ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। আপনি স্যামন মাছকে সিদ্ধ করে, ভেপে অথবা ভেজেও খেতে পারেন। ভালো উপকার পেতে, সপ্তাহে ২ দিন অন্তত স্যামন মাছ খাওয়া উচিত। এছাড়া অন্যান্য তৈলাক্ত মাছ যা স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে সেগুলো হল ম্যাকড়ল, সারডিন, ট্রাউট মাছ ও টুনা।

৩। টমেটো

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, পোস্টমেনোপজাল মহিলাদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে টমেটো বেশ উপকারী। টমেটোতে লাইসোপিনি থাকে যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি কমিয়ে আনে এবং স্তন ক্যান্সারের উন্নয়ন প্রতিরোধ করে।

ক্যান্সার গবেষণার ক্ষেত্রে আমেরিকান ইন্সটিউট অনুযায়ী, লাইসোপিনি টিউমার বৃদ্ধি বন্ধ করে এবং অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। লাইসোপিনি অন্যান্য ক্রমবর্ধমান ক্যান্সার কোষের বাধা হিসেবে কাজ করে যেমন ফুসফুস এবং পেটের ক্যান্সার। সুবিধা ভোগ করার জন্য আপনি টমেটোকে রান্না ভর্তা অথবা প্রক্রিয়াজাত করেও খেতে পারেন। যদিও ভালো ফলাফল পেতে দৈনিক দেড় গ্লাস টমেটো জুস পান করা উচিত।

৪। রসুন

সমীক্ষায় দেখা গেছে রসুনে উপস্থিত সালফার যৌগ ও ফ্ল্যাভোনয়েড স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি স্তন, মুখ, পেট ও কোলন ক্যান্সারের সঙ্গে যুক্ত ক্যান্সার কোষের মৃত্যু ঘটায়। বেশী সুবিধা পেতে, রসুন ছিলে তা কুচিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। আপনি প্রতিদিন সকালে এক টুকরো রসুন খেতে পারেন, এতে করে আপনি ক্যান্সার মুক্ত জীবন পেতে পারেন।

৫। পালংশাক

পালংশাকে অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট লুটেইন রয়েছে যা অন্ননালী, পাকস্থালীর ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ম্যাঙ্গানিজ ও ক্যারটিনইয়েড সমৃদ্ধ যা আপনার শরীরের মৌলে বলা অস্থির অণু অপসারণ করে। মহিলাদের সপ্তাহে কয়েকবার পালংশাক খাওয়া উচিত যাতে করে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে আসে। পালংশাক সালাদে, সুপে, সিদ্ধ করে অথবা ভেজেও খাওয়া যেতে পারে। পালংশাকের সাথে অন্যান্য সবুজ শাক অথবা পাতা যেমন লেটুস,পাতা কপি খেতে পারেন।

৬। আখরোট

আখরোটে অনেক সহায়ক পুষ্টি থাকে এবং স্তন ক্যান্সার টিউমারের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি কমিয়ে আনে। মার্শাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা প্রতিদিন প্রায় দুই আউন্স আখরোট খাওয়ার নির্দেশ দেন। ফলে স্তন ক্যান্সারে যে একাধিক জিনের কার্যকলাপ পরিবর্তন করতে সাহায্য করে তা হ্রাস করে।

স্তন ক্যান্সার দূর করতে আপনার খাদ্যর মধ্যে এই খাবার রাখার পাশাপাশি, সবসময় ডাক্তার এর পরামর্শও নিতে হবে।

Source: http://bdromoni.com/archives/4269

The following two tabs change content below.
Dr.Anika Mahmud

Dr.Anika Mahmud

Dr.Anika Mahmud

Latest posts by Dr.Anika Mahmud (see all)

Leave a Reply

Share this

Journals

Email Subscribers

Name
Email *